
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশ্বে প্রতি ১০ জনে একজন অনিরাপদ খাবার গ্রহণের কারণে অসুস্থ হচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশে ১ লাখ ১৪ হাজার মানুষ প্রতিবছরে ক্যানসারে মৃত্যুবরণ করছে, যার মূল কারণ অনিরাপদ খাদ্য।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. হারুণ-অর-রশীদ। তিনি বলেন, ‘খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে অন্যান্যদের সহযোগিতায় আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। কিন্তু খাদ্যের নিরাপদতায় আমাদের আরো জোর দিতে হবে। সেজন্য যারা খাদ্য সরবরাহ করেন, তাদের যেন সচেতন থাকতে হবে; ঠিক তেমনি যারা ভোক্তা, তাদেরও খাবার গ্রহণের সময় সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে।’
কর্তৃপক্ষের সচিব ও জাইকা প্রজেক্টের প্রকল্প পরিচালক মো. আখতার মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএফএসএ’র দুই সদস্য ড. মোহাম্মদ মোস্তফা ও ড. মোহাম্মদ শোয়েব। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের মনিটরিং অফিসার ইমরান হোসেন মোল্লা।
অনুষ্ঠানে খাদ্যকর্মীদের খাবার প্রস্তুত, পরিবেশনা, সংরক্ষণ, পরিবহন, লেবেলিং, নিরাপদ খাদ্য আইন ও এর বিধি-প্রবিধি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি, খাদ্যকর্মীদের করণীয়াবলি, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার উপায়, ভোক্তার সঙ্গে আচরণ এবং নিরাপদ খাদ্যের পরিবেশ তৈরীতে করণীয় ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
এসময় তাদেরকে মাস্ক, অ্যাপ্রোন, ক্যাপ, গ্লাভস বিতরণ করা হয়। এতে ঢাকা শহরের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের প্রায় ২০০ জন খাদ্যকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।